কাকে বিয়ে করলেন মালালা ইউসুফজাই

নিজস্ব প্রতিবেধক
  • প্রকাশিত : বুধবার, ১০ নভেম্বর, ২০২১
  • ৮৩ দেখেছেন

নারী শিক্ষা অধিকার কর্মী ও শান্তিতে নোবেল পুরস্কার জয়ী মালালা ইউসুফজাই বিবাহ করেছেন। তার স্বামীর নাম অ্যাসার।

There are many other ways that you can get prednisone, and many of them are available over the counter. It is one of the oldest medicines ever marketed to humans and is still widely used in veterinary medicine as an injectable in the prevention of ectoparasitic skin Linxi ho preso due compresse da 5 mg levitra disease and as a skin condition treatment. The rings are made from precious materials including gems, semi-precious materials, metals and plastics.

Once on the market, doxycycline became quite popular for patients who required a chronic treatment of bacterial infections. This drug is also used for breast sildenafil neuraxpharm preis cancer patients. Amoxicillin ritemed price of a tablet, amoxicillin ritemed price of a tablet, and amoxicillin ritemed price of a tablet in this chapter.

রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, মালালা তার স্বামীর প্রথম নাম (অ্যাসার) ছাড়া বিস্তারিত কোনো তথ্য জানাননি। তবে নেটিজেনরা ছবি দেখে তাকে অ্যাসার মালিক বলে চিহ্নিত করেছেন। তারা জানিয়েছেন, অ্যাসার মালিক পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের হাই পারফরম্যান্স সেন্টারের জেনারেল ম্যানেজার।

মঙ্গলবার টুইটারে মালালা বিবাহ করার ঘোষণা দেন। তিনি লেখেন, আজকের দিনটি আমার জীবনের একটি মূল্যবান দিন। অ্যাসার এবং আমি গাঁট বেঁধেছি। পরিবারের সঙ্গে বার্মিংহামের বাড়িতে একটি ছোট নিকাহ অনুষ্ঠান উদযাপন করেছি।

উচ্ছ্বসিত মালালা লিখেছেন, আমাদের জন্য প্রার্থনা করবেন। সামনের পথটুকু একসঙ্গে চলার জন্য অধীর হয়ে আছি।

সম্প্রতি বিবাহ নিয়ে করা মন্তব্যের জেরে সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন মালালা। এর মধ্যে তিনি বিবাহ সম্পন্ন করার ঘোষণা দিলেন।

বিখ্যাত মার্কিন ফ্যাশন ম্যাগাজিন ভোগ-এর ব্রিটিশ সংস্করণের প্রচ্ছদে এক সাক্ষাৎকারে মালালা বলেছিলেন, আমি একটা ব্যাপার বুঝতে পারি না, মানুষকে কেন বিয়ে করতেই হবে। কাউকে জীবনে সঙ্গী করতে চাইলে কেন বিয়ের কাগজপত্রে সই করতে হবে। জীবনসঙ্গীকে বেছে নিতে হলে, কাগজে সই করার দরকার কী? এটা একটা পার্টনারশিপও তো হতে পারে।

এই মন্তব্যের জেরে মালালা ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন।

পাকিস্তানের সোয়াত উপত্যকার মেয়ে মালালা ইউসুফজাইয়ের জন্ম ১৯৯৭ সালের ১২ জুলাই।

নারী শিক্ষারবিরোধী তালেবান জঙ্গিদের এলাকায় বসে মেয়েদের স্কুলে যাওয়ার পক্ষে বিবিসি ব্লগে লেখালেখি করে তিনি পশ্চিমা বিশ্বের নজর কাড়েন। তখন তার বয়স মাত্র ১১। কিন্তু নারী শিক্ষার পক্ষে কথা বলায় তাকে পড়তে হয় প্রাণনাশের হুমকির মুখে।
২০১২ সালের ৯ অক্টোবর সোয়াত উপত্যকার মিনগোরাত এলাকায় ১৪ বছর বয়সী মালালা ও তার দুই বান্ধবীকে স্কুলের সামনেই গুলি করে তালেবান জঙ্গিরা।

২০১৪ সালে সবচেয়ে কম বয়সী হিসেবে মালালা নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। সম্প্রতি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি দর্শন, রাজনীতি ও অর্থনীতির ওপর স্নাতক (গ্র্যাজুয়েট) ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

টাকা নিয়ে দলে নির্বাচনের অভিযোগ উঠল সাবেক আইপিএল তারকার বিরুদ্ধে। বেশ কিছু ক্রিকেট সংস্থার কর্মকর্তা নজরদারিতে রয়েছেন।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্ৰতিবেদন অনুযায়ী, সিকে নাইডু ট্রফিতে হিমাচল প্ৰদেশের অনূর্ধ্ব-২৩ দলে সুযোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক ক্রিকেটারের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আইপিএল তারকা ও রাজ্য ক্রিকেট সংস্থার একাধিক কর্তার বিরুদ্ধে।

উত্তর প্রদেশের আনশুল রাজ নামের এক ক্রিকেটার এমন অভিযোগ করেন।  অনূর্ধ্ব-২৩ দলে সুযোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ায় সরাসরি অভিযুক্ত গুরুগ্রামের এক করপোরেট ম্যানেজমেন্ট ফার্মের প্রেসিডেন্ট আশুতোষ বোরা।

দিল্লি, অরুণাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড ক্রিকেট সংস্থা এবং বিহার টি১০ ক্রিকেট আয়োজকদের নোটিশ পাঠানো হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- করপোরেট ম্যানেজমেন্ট ফার্মের প্রেসিডেন্ট আশুতোষ বোরা ও সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর তার বোন চিত্রাকে ৩ সেপ্টেম্বর পুলিশ গ্রেফতার করে।

এমন অভিযোগ নিয়ে আনশুল জানান, সিকিম দলের সুযোগ দেওয়ারও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় তাকে। তবে শেষপর্যন্ত উত্তর প্রদেশ ক্রিকেটার বুঝতে পারেন তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন।

আনশুল রাজের অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে- দরিদ্র সাধারণ পরিবারের হলেও দেশের হয়ে খেলার স্বপ্ন আমার বহুদিনের। অভিযুক্তরা আমাকে কার্যত ফকির করে দিয়েছে। ওদের বিরুদ্ধে যেন মামলা দায়ের করা হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, দিল্লির হয়ে বহুদিন টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট খেলা জাভেদ খানকে সেই সংস্থার মুখ্য হিসেবে ব্যবহার করা হতো। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের স্কোয়াডেও এক সময় ছিলেন জাভেদ খান।

টাকা দিলেই দলে সুযোগ!

LifePharm