ফেসবুকে ‘ওভার শেয়ারিং’ করছেন না তো?

নিজস্ব প্রতিবেধক
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১০ জানুয়ারী, ২০১৯
  • ৯৮৪ দেখেছেন

পরিচিত মানুষদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে ফেসবুক এর বিকল্প নেই। সবাই কী করছে, কোথায় যাচ্ছে সব জানা যায়। মনেই হয়না যে রোজ কথা হচ্ছে না। নিজের আনন্দের মুহূর্তগুলোও শেয়ার করা যায়। কিন্তু শেয়ার করতে গিয়ে ‘ওভার শেয়ারিং’ করছেন কিনা একটু খেয়াল করে দেখুন তো। মিলিয়ে দেখুন নিজের সঙ্গে আর জেনে নিন আপনিও ‘ওভার শেয়ারিং’ করছেন কিনা!

Tamoxifen, tamoxifen, tamoxifen, tamoxifen, tamoxifen. Ivermectin is used in the treatment of a Campana variety of parasitic diseases, including: The cost of taking this medication can range from a month to 0.

The usenet servers are distributed in many different ways. There are very few drugs which have a high buy flovent rate of adverse effects in humans. Doxycycline with rifampin was never fda approved for use in breast cancer, but research shows it can stop the spread of the disease.

He says that the fungus is not airborne, but is acquired in a number of ways, including from animal bites, wounds, and cuts and scratches. Dapoxetine online Novelda xenical orlistat buy online shopping india dapoxetine price. In general, use of these drugs in children between the ages of one and three should be restricted to short courses of at least 1 month for the first two weeks, and then at the maximum for the remainder.

অন্তরঙ্গ ছবি: ফেসবুকের অনেক জুটি আছেন যারা বেশ জনপ্রিয়। ‘#কাপল গোল’ দিয়ে ঘুরতে যাওয়া, ডেট, হাত ধরে হাঁটার ছবি শেয়ার করছেন অনেকেই। কেউ কেউ আবার অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি, বেডরুমের চার দেয়ালের মাঝে তোলা ছবি শেয়ার করছেন ফেসবুকে। এভাবে নিজেদের প্রাইভেসি নিজেরাই নষ্ট করছেন ‘ওভার শেয়ারিং’ করে। দুজনের একান্ত মুহূর্তগুলো এভাবে আর দুজনের মাঝে সীমাবদ্ধ থাকে না। উপভোগ করার বদলে ছবি তোলা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে মূল্যবান সময়গুলো হারিয়ে ফেলছেন অনেক জুটি।

আদুরে বিশেষণ: প্রিয় মানুষটিকে ‘বেবি’, ‘বাবু’, ‘কিউটি পাই’, ইত্যাদি আদুরে নামে ডাকেন অনেকেই। কিন্তু সেগুলো ফেসবুকে সারাক্ষণ শেয়ার করলে অন্যের বিরক্তির কারণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আপনি হয়তো আদর করেই ডাকছেন, কিন্তু এতে বিব্রত হতে পারেন আপনার প্রিয় মানুষটিও। এমনকি বন্ধু মহলেও তাকে নিয়ে হাসাহাসি করার সম্ভাবনা থাকে।

সবখানে নাক গলানো: ধরুন আপনার প্রিয় মানুষটি তার কোনো বন্ধুর সঙ্গে তর্কে জড়িয়েছে কোনো পোস্টে। আপনি সেখানে গিয়ে গায়ে পড়ে জড়ালেন। কিংবা অন্য যে কোনো যায়গায় গিয়ে প্রয়োজন ছাড়াই কমেন্ট দিয়ে আসলেন। এগুলোও ওভার শেয়ারিং। আপনার প্রিয় মানুষটির ভালো লাগলেও বন্ধু তালিকার বাকিদের জন্য আপনার এই অভ্যাস বিরক্তিকর হতে পারে।

ঘরের কথা বাইরে: ধরুন আপনার স্বামী পাশের রুমেই আছেন। অথচ আপনি তার ফেসবুক ওয়ালে গিয়ে পোস্ট করছেন, ‘একটু রুমে আসো তো!’ অথবা ঝগড়া লেগেছে দুজনের। রেগে-মেগে ফেসবুকে এমন পোস্ট দিলেন যে সবাই বুঝে গেলো আপনাদের মধ্যে মান-অভিমান চলছে। অথচ সেই রাগ ভেঙ্গে গেছে এক ঘণ্টার মধ্যেই। এগুলো ‘ওভার শেয়ারিং।’ এধরনের অভ্যাসে নিজেদের মাঝে সম্পর্ক নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি বন্ধুদের কাছেও আপনার ব্যক্তিত্ব ক্ষুণ্ণ হয়। –ফেমিনা

শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

টাকা নিয়ে দলে নির্বাচনের অভিযোগ উঠল সাবেক আইপিএল তারকার বিরুদ্ধে। বেশ কিছু ক্রিকেট সংস্থার কর্মকর্তা নজরদারিতে রয়েছেন।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্ৰতিবেদন অনুযায়ী, সিকে নাইডু ট্রফিতে হিমাচল প্ৰদেশের অনূর্ধ্ব-২৩ দলে সুযোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক ক্রিকেটারের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আইপিএল তারকা ও রাজ্য ক্রিকেট সংস্থার একাধিক কর্তার বিরুদ্ধে।

উত্তর প্রদেশের আনশুল রাজ নামের এক ক্রিকেটার এমন অভিযোগ করেন।  অনূর্ধ্ব-২৩ দলে সুযোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ায় সরাসরি অভিযুক্ত গুরুগ্রামের এক করপোরেট ম্যানেজমেন্ট ফার্মের প্রেসিডেন্ট আশুতোষ বোরা।

দিল্লি, অরুণাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড ক্রিকেট সংস্থা এবং বিহার টি১০ ক্রিকেট আয়োজকদের নোটিশ পাঠানো হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- করপোরেট ম্যানেজমেন্ট ফার্মের প্রেসিডেন্ট আশুতোষ বোরা ও সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর তার বোন চিত্রাকে ৩ সেপ্টেম্বর পুলিশ গ্রেফতার করে।

এমন অভিযোগ নিয়ে আনশুল জানান, সিকিম দলের সুযোগ দেওয়ারও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় তাকে। তবে শেষপর্যন্ত উত্তর প্রদেশ ক্রিকেটার বুঝতে পারেন তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন।

আনশুল রাজের অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে- দরিদ্র সাধারণ পরিবারের হলেও দেশের হয়ে খেলার স্বপ্ন আমার বহুদিনের। অভিযুক্তরা আমাকে কার্যত ফকির করে দিয়েছে। ওদের বিরুদ্ধে যেন মামলা দায়ের করা হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, দিল্লির হয়ে বহুদিন টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট খেলা জাভেদ খানকে সেই সংস্থার মুখ্য হিসেবে ব্যবহার করা হতো। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের স্কোয়াডেও এক সময় ছিলেন জাভেদ খান।

টাকা দিলেই দলে সুযোগ!

LifePharm