লম্বা দাড়িসহ সেলফি দিয়ে সমালোচনার ঝড়ে সাকিব

নিজস্ব প্রতিবেধক
  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ২৬ এপ্রিল, ২০১৯
  • ৭১৯ দেখেছেন

অভিনেতা, গায়ক ও ক্রিকেট তারকাদের ফেসবুক পেজের দিকে সবসময়ই দৃষ্টি থাকে নেট জনতার।

এসব সেলিব্রেটি কোনো ছবি পোস্ট করলে বা স্ট্যাটাস দিলে তাতে হুমড়ি খেয়ে পড়েন অনেকে। ইতিবাচক, নেতিবাচক কমেন্টে ভেসে যায় সেই পোস্ট।

এবার ফেসবুকে একটি ক্লোজ শট সেলফি পোস্ট করে বির্তকের বেড়াজালে আটকে গেলেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।

তার সেই ছবিটি ইতিমধ্যে কমেন্টে ভেসে গেছে। তবে ইতিবাচকের চেয়ে নেতিবাচক মন্তব্য জমা পড়ছে মুহুর্মুহু।

আজ (শুক্রবার) দুপুরে সাকিব তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি ছবি পোস্ট করেছেন। যেখানে দেখা গেছে তিনি গাড়িতে বসে আছেন। তার মুখভর্তি দাড়ি।

সেলফিটির ক্যাপশনে সাকিব লিখেছেন, ‘জুমা মুবারক’। এটি পোস্টের পরপরই ভাইরাল হয়ে পড়ে। ইতিমধ্যে ছবিটিতে ২লাখের বেশি লাইক জমা পড়েছে। কমেন্ট পড়েছে দুই হাজারের কাছাকাছি।’

এসব কমেন্টের বেশিরভাই নেতিবাচক। মূলত তার এই লম্বা দাড়ি নিয়েই কমেন্ট বক্সে সমালোচনার ঝড় বইছে।

বিভিন্নভাবে নিজেরদের প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন ফেসবুক ব্যবহারকারীরা। সাকিবের এই দাড়ি কি কৃত্রিম! নাকি এডিট করা ফটো সে বিষয়ে প্রশ্ন ছুঁড়ছেন কেউ কেউ। এডিট হয়ে থাকলে দাড়ি নিয়ে কেন এমনটা করতে গেলেন তিনি সে বিষয়ে প্রশ্ন করেছেন অনেকে।

সাকিবের ওই সেলফিতে অনেকেই খুশি হয়ে লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। আপনাকে ভালো এবং সুন্দর দেখাচ্ছে।’

ইব্রাহিম খলিল দিপু নামের আইডি কমেন্ট করেছেন, ‘সাকিব ভাই, খুশি হলাম আপনার এমন পরিবর্তন দেখে। কিন্তু ভাবীকেও কি আপনার মত ইসলামি নিয়ম কানুনের ভেতর নিয়ে আসা যায় না? ’

ইজাজুর রহমান ইমন লিখেছেন, মাশাআল্লাহ,অনেক সুন্দর লাগছে আপনাকে ভাই। আল্লাহ কবুল করুন।

এসব প্রশংসাসূচক কমেন্টের মাঝেও আসিফুল অভি নামের আইডি লিখেছেন, ‘হুজুগে খুশি হওয়ার আগে ছবিটা জুম করে দেখেন! এইটা লাগানো দাড়ি! বিঃদ্রঃ দাড়ির আঠাযুক্ত স্টিকার দেখা যাচ্ছে! আবু সাঈদ তুহিন বলছেন, মাশাআল্লাহ লেখার আগে ফটোটা জুম করে দেখুন…সাকিব এটা না করলেও পারতো।’

ফয়সাল আহমেদ লিখেছেন, ‘ফেক দাড়ি। মনে হচ্ছে স্টিকার দিয়ে লাগানো? ’

মহিউদ্দিন হাওলাদার বলছেন, ‘দাড়ি নিয়ে তামাশা করার কারণ কি? এটা নবীর সুন্নত, তামাশা করবেন না।’

মেহেদি ইএনএফ’র মন্তব্য, ‘ভাই ফেক দাড়ি লাগিয়ে ছবি দেয়ার কি দরকার ছিল???? শুধু শুধু নিজের মানসম্মানটুকু ডুবাইলেন।’

আবদুর রহমান রায়হান স্মিথ বলছেন, ‘সাকিব ভাই, নিজেকে নিজে ট্রল করার সুযোগ করে দিচ্ছেন কেন? ’

মো. তৌফিকুল ইসলাম লিমন লেখেন, আমি আপনার খুব ভক্ত…তবে স্যার যদি দাড়ি রাখেন তাহলে একেবারে রাখবেন। দয়া করে নবীর সুন্নত নিয়ে ফ্যাশন করবেন না।’

ছবিটি বছর খানেক আগের বলে মনে করছেন মামুন রশিদ।

ব্যাখ্যাসহ তিনি লিখেছেন, ‘১ বছর আগের পিক দিয়া জুম্মা মুবারক ট্যাগ বসাইয়া দিলেন। ২ দিন আগেও সানরাইজের হয়ে ক্লিন সেভ এ খেললেন। জুম্মা মুবারকের সঙ্গে যে দাড়িওয়ালা পিক থাকা লাগবে এমন কথা না। আপনার রিসেন্ট পিক দিয়েও এটা করা যেত।’

সাকিব থেকে এমন একটি বোকামো হতে পারে না বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তিনি।

তবে শোয়েব সৈকত নামের আইডি বিরূপ মন্তব্য করতে অনুরোধ করেছেন। সাকিবের এই দাড়ির বিষয়টি ভুয়া জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ ফেক হোক। তাওতো অনেক সুন্দর লাগছে। বাজে কমেন্ট না করে ভাইকে উৎসাহ দিন। সত্যিই যেন এমন দাড়ি রাখেন। আসলেই অনেক সুন্দর লাগছে। নূরানি চেহারা।’

বিটিডাব্লিউ’ কমেন্ট, ‘বাংলা ছবির আলগা দাড়ি লাগানো সাইড নায়কের মতন লাগতেছে।’

এ ছবিটির বিষয়ে সাকিব আল হাসানের পক্ষ থেকে কোনো তথ্য এখনও জানা যায়নি।

এর আগেও ফেসবুকে সাকিবের লুঙ্গি পরা ছবি বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছিলো। সে ছবি নিয়ে কয়েকদিন রসিকতায় মেতেছিল নেট জনতা।

শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

টাকা নিয়ে দলে নির্বাচনের অভিযোগ উঠল সাবেক আইপিএল তারকার বিরুদ্ধে। বেশ কিছু ক্রিকেট সংস্থার কর্মকর্তা নজরদারিতে রয়েছেন।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্ৰতিবেদন অনুযায়ী, সিকে নাইডু ট্রফিতে হিমাচল প্ৰদেশের অনূর্ধ্ব-২৩ দলে সুযোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক ক্রিকেটারের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আইপিএল তারকা ও রাজ্য ক্রিকেট সংস্থার একাধিক কর্তার বিরুদ্ধে।

উত্তর প্রদেশের আনশুল রাজ নামের এক ক্রিকেটার এমন অভিযোগ করেন।  অনূর্ধ্ব-২৩ দলে সুযোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ায় সরাসরি অভিযুক্ত গুরুগ্রামের এক করপোরেট ম্যানেজমেন্ট ফার্মের প্রেসিডেন্ট আশুতোষ বোরা।

দিল্লি, অরুণাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড ক্রিকেট সংস্থা এবং বিহার টি১০ ক্রিকেট আয়োজকদের নোটিশ পাঠানো হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- করপোরেট ম্যানেজমেন্ট ফার্মের প্রেসিডেন্ট আশুতোষ বোরা ও সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর তার বোন চিত্রাকে ৩ সেপ্টেম্বর পুলিশ গ্রেফতার করে।

এমন অভিযোগ নিয়ে আনশুল জানান, সিকিম দলের সুযোগ দেওয়ারও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় তাকে। তবে শেষপর্যন্ত উত্তর প্রদেশ ক্রিকেটার বুঝতে পারেন তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন।

আনশুল রাজের অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে- দরিদ্র সাধারণ পরিবারের হলেও দেশের হয়ে খেলার স্বপ্ন আমার বহুদিনের। অভিযুক্তরা আমাকে কার্যত ফকির করে দিয়েছে। ওদের বিরুদ্ধে যেন মামলা দায়ের করা হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, দিল্লির হয়ে বহুদিন টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট খেলা জাভেদ খানকে সেই সংস্থার মুখ্য হিসেবে ব্যবহার করা হতো। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের স্কোয়াডেও এক সময় ছিলেন জাভেদ খান।

টাকা দিলেই দলে সুযোগ!

LifePharm