নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ তো তারাই করেছে: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেধক
  • প্রকাশিত : সোমবার, ১১ মার্চ, ২০১৯
  • ৬৪১ দেখেছেন
সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ তো তারাই করেছে। প্রতিটি নির্বাচন নিয়ে তারা খেলা খেলেছে। দশটা হুন্ডা, ২০টা গুণ্ডা- নির্বাচন ঠাণ্ডা। আগে এটাই ছিল নির্বাচনের পরিবেশ। সে ধরনের কোনো ঘটনা একাদশ জাতীয় নির্বাচনে ঘটেনি।’

সোমবার স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাব এবং প্রথম অধিবেশনের সমাপনী বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এবারের নির্বাচনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনে এসেছিল। কিন্তু পছন্দমতো সংখ্যায় আসন পায়নি। তবে সবার উদ্দেশ্যে আমি জানাতে চাই যে, ২০০৮ সালের নির্বাচনে শতকরা ৮৪ ভাগ ভোট পড়েছিল। ২০১৮ সালে পড়েছিল ৮০ ভাগ। ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত মাত্র ২৮টি আসন পেয়েছিল। এবারের নির্বাচনে ঐক্যফ্রন্ট যাকে (ড. কামাল) প্রধান করেছে তিনি নির্বাচন করেননি। বিএনপির প্রধান দুই জনের মধ্যে একজন এতিমের টাকা আত্মসাতের কারণে কারাগারে, আরেকজন খুন-দুর্নীতির দণ্ডিত পলাতক আসামি। যে দলের চেয়ারপারসন একজন কারাগারে, অন্যজন দেশান্তরী- জনগণ কী দেখে তাদের ভোট দেবে? নির্বাচনের সময় জনগণকে তারা দেখাতে পারেনি নির্বাচিত হলে কে প্রধানমন্ত্রী হবেন, কে দেশ চালাবেন। এ কারণে জনগণ আওয়ামী লীগকে বেছে নিয়েছে, তাদের ভোট দেয়নি।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের সময় বিএনপি মনোনয়ন বাণিজ্য করেছে। কোনো কোনো আসনে নির্বাচনের দু’দিন আগেও তারা মনোনয়ন পরিবর্তন করেছে। বিএনপির যেসব ভোটব্যাংক, তারাও তো ভোট দিতে পারেননি। কারণ তারা দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন।’

শেখ হাসিনা প্রশ্ন রেখে বলেন, ’৭৫-পরবর্তী নির্বাচন কিভাবে হয়েছে? খুনি জিয়াউর রহমান একাধারে সেনাপ্রধান ও রাষ্ট্রপতি হলেন।

বিএনপি তথা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সংসদে আসার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। জনগণের ভোটের প্রতি সম্মান জানিয়ে সংসদে এসে যা বলার কথা বলুন, আমরা কোনো বাধা দেব না।’

সুলতান মোহাম্মদ মনসুরকে শপথ নিয়ে সংসদে আসার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যদের অনেকে সেনাপ্রিয় বলেন। দেশের এমন কিছু লোক আছে দেশে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি এলেই তাদের সুবিধা হয়। তারা কোনো উন্নয়ন চোখে দেখে না। তবে তারা কে কি বলল তাতে কেয়ার করি না, আমি কেয়ার করি দেশের জনগণকে। তাদের মতো অত জ্ঞানী-গুণী না হলেও দেশকে আমরা উন্নয়ন করতে পারি তা প্রমাণ করেছি। এখন ভিক্ষা দেয়ার কোনো লোক পাওয়া যায় না।’

শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

টাকা নিয়ে দলে নির্বাচনের অভিযোগ উঠল সাবেক আইপিএল তারকার বিরুদ্ধে। বেশ কিছু ক্রিকেট সংস্থার কর্মকর্তা নজরদারিতে রয়েছেন।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্ৰতিবেদন অনুযায়ী, সিকে নাইডু ট্রফিতে হিমাচল প্ৰদেশের অনূর্ধ্ব-২৩ দলে সুযোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক ক্রিকেটারের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আইপিএল তারকা ও রাজ্য ক্রিকেট সংস্থার একাধিক কর্তার বিরুদ্ধে।

উত্তর প্রদেশের আনশুল রাজ নামের এক ক্রিকেটার এমন অভিযোগ করেন।  অনূর্ধ্ব-২৩ দলে সুযোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ায় সরাসরি অভিযুক্ত গুরুগ্রামের এক করপোরেট ম্যানেজমেন্ট ফার্মের প্রেসিডেন্ট আশুতোষ বোরা।

দিল্লি, অরুণাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড ক্রিকেট সংস্থা এবং বিহার টি১০ ক্রিকেট আয়োজকদের নোটিশ পাঠানো হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- করপোরেট ম্যানেজমেন্ট ফার্মের প্রেসিডেন্ট আশুতোষ বোরা ও সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর তার বোন চিত্রাকে ৩ সেপ্টেম্বর পুলিশ গ্রেফতার করে।

এমন অভিযোগ নিয়ে আনশুল জানান, সিকিম দলের সুযোগ দেওয়ারও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় তাকে। তবে শেষপর্যন্ত উত্তর প্রদেশ ক্রিকেটার বুঝতে পারেন তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন।

আনশুল রাজের অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে- দরিদ্র সাধারণ পরিবারের হলেও দেশের হয়ে খেলার স্বপ্ন আমার বহুদিনের। অভিযুক্তরা আমাকে কার্যত ফকির করে দিয়েছে। ওদের বিরুদ্ধে যেন মামলা দায়ের করা হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, দিল্লির হয়ে বহুদিন টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট খেলা জাভেদ খানকে সেই সংস্থার মুখ্য হিসেবে ব্যবহার করা হতো। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের স্কোয়াডেও এক সময় ছিলেন জাভেদ খান।

টাকা দিলেই দলে সুযোগ!

LifePharm