অন্যের সন্তান জন্ম দিয়ে মামলা! (ভিডিও)

নিজস্ব প্রতিবেধক
  • প্রকাশিত : বুধবার, ১০ নভেম্বর, ২০২১
  • ৭৭ দেখেছেন

জীবনের গল্প থেকেই তো সিনেমা হয়। তাই বলিউড তারকা কারিনা কাপুর আর অক্ষয় কুমারের ২০১৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা গুডনিউজের কাহিনীই অনেকটা বাস্তবে প্রতিফলিত হয়েছে এই দুই মায়ের জীবনে।

Drugs.com provides comprehensive information on more than 20,000 drugs that interact with prescription and over-the-counter medicine, hospital equipment, foods, and herbs. For http://factionfilm.de/10954-orlistat-günstig-kaufen-42779/ starters there are many generic viagra brands in the market like sustem. This medication is not considered to have a high enough potential to pose a significant risk to the fetus and can be used during the first trimester or pre-conception.

She took me to a very nice dinner at one of the finest restaurants in town. The statements on this website including any articles, blog posts, or statements on behalf of viagra generico in vendita american medical association should not be considered medical advice. Kamagra oral jelly 150mg - kamagra oral jelly 200mg.

আজকাল আইভিএফ বা ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন অনেক নিঃসন্তান দম্পতির জীবনে আশার আলো দেখাচ্ছে। বিজ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে মা-বাবা হচ্ছেন অনেক দম্পতি।  তবে সহজ এই পদ্ধতিই কাল হয়েছে এই দুই দম্পতির ক্ষেত্রে।

মঙ্গলবার সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইভিএফ পদ্ধতি সন্তান জন্ম দিতে লস অ্যাঞ্জেলেসের একটি ফার্টিলিটি ক্লিনিকের দারস্থ হয়েছিলেন দুই দম্পতি। কিন্তু ক্লিনিকের ভুলে তাদের ভ্রুণ অদলবদল হয়। এ জন্য পরস্পরের সন্তান জন্ম দেন ওই দুই দম্পতি। তিন মাস পরস্পরের  নবজাতককে বড়ও করেন তারা। এরপর তারা ভ্রুণ বদলের বিষয়টি বুঝতে পারেন।

বিষয়টি বুঝতে পারার পর ওই ফার্টিলিটি ক্লিনিকের নামে রীতিমতো মামলা ঠুকে দিয়েছেন সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ার এক দম্পতি।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টির বাসিন্দা ড্যাফনা এবং আলেকজান্ডার কার্ডিনাল ২০১৯ সালে ক্যালিফোর্নিয়া সেন্টার ফর রিপ্রোডাক্টিভ হেলথে যান। সেখানে ড. এলিরান মোরের তত্ত্বাবধানে ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশানের মাধ্যমে সন্তানসম্ভবা হন ড্যাফনা।

নির্দিষ্ট সময় পর একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেন ড্যাফনা। কিন্তু সন্তান জন্মের কিছুদিন পর ড্যাফনা এবং আলেকজান্ডারের সন্দেহ হয় শিশুটি তাদের নয়। কারণ শিশুটির গায়ের রং বেশ কালো।  শিশুটির চেহারার আদলের সঙ্গেও তাদের মিল ছিল না।

ড্যাফনা এবং আলেকজান্ডার দু’জনই খুব ফর্সা। তাদের চুল ব্লন্ড ও ব্রাউনের মাঝামাঝি। কিন্তু তাদের জন্ম দেওয়া সন্তানের চুল ছিল কুচকুচে কালো। গায়ের রঙ কিছুটা কম ফর্সা। এর থেকেই সন্দেহ হয় তাদের।

ওই দম্পতি ডিএনএ টেস্টের সিদ্ধান্ত নেন। আট সপ্তাহ পর ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট আসে। সেখানে দেখা যায় ড্যাফনার জন্ম দেওয়া শিশুটি তাদের নয়।

এরপরই তারা বুঝতে পারেন ক্লিনিকেই অন্য কোনো দম্পতির ভ্রুণ স্থাপন করা হয়েছিল ড্যাফনার গর্ভে।

এদিকে, ড্যাফনা ও অ্যালেকজান্ডারের ভ্রুণ অন্য এক দম্পতিকে দিয়েছিল ওই ক্লিনিক।

মামলায় বলা হয়েছে, ডাফনা এবং আলেকজান্ডার তিন মাস পর্যন্ত তাদের কন্যার অস্তিত্ব সম্পর্কে জানতেনই না।
পুরো ব্যাপারটা প্রকাশিত হওয়ার প্রায় এক মাস পর  আসল সন্তানকে বাড়ি আনেন ড্যাফনা ও অ্যালেকজান্ডার।

এদিকে তিন মাস ধরে তারা অন্যের সন্তানকে বড় করছিলেন। সেই নবজাতককে  তুলে দেন আসল বাবা-মায়ের হাতে। তবে খুব স্বাভাবিকভাবে দুই পরিবারেরই শিশু দুটির উপর মায়া পড়ে গিয়েছিল।

মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, এভাবে কোনো সন্তান কিছুদিন বড় করা, তাকে ভালবাসা, স্তন্যপান করোনোর পর অদলবদল করা যে চরম মানসিক আঘাত, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

২০১৯ সালে ৩১ ডিসেম্বর ওই দুই দম্পতি বাচ্চাদের নিয়ে একে অপরের সঙ্গে দেখা করেন। এর দুই সপ্তাহ পর শিশুদের অদলবদল করেন তারা।

শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

টাকা নিয়ে দলে নির্বাচনের অভিযোগ উঠল সাবেক আইপিএল তারকার বিরুদ্ধে। বেশ কিছু ক্রিকেট সংস্থার কর্মকর্তা নজরদারিতে রয়েছেন।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্ৰতিবেদন অনুযায়ী, সিকে নাইডু ট্রফিতে হিমাচল প্ৰদেশের অনূর্ধ্ব-২৩ দলে সুযোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক ক্রিকেটারের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আইপিএল তারকা ও রাজ্য ক্রিকেট সংস্থার একাধিক কর্তার বিরুদ্ধে।

উত্তর প্রদেশের আনশুল রাজ নামের এক ক্রিকেটার এমন অভিযোগ করেন।  অনূর্ধ্ব-২৩ দলে সুযোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ায় সরাসরি অভিযুক্ত গুরুগ্রামের এক করপোরেট ম্যানেজমেন্ট ফার্মের প্রেসিডেন্ট আশুতোষ বোরা।

দিল্লি, অরুণাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড ক্রিকেট সংস্থা এবং বিহার টি১০ ক্রিকেট আয়োজকদের নোটিশ পাঠানো হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- করপোরেট ম্যানেজমেন্ট ফার্মের প্রেসিডেন্ট আশুতোষ বোরা ও সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর তার বোন চিত্রাকে ৩ সেপ্টেম্বর পুলিশ গ্রেফতার করে।

এমন অভিযোগ নিয়ে আনশুল জানান, সিকিম দলের সুযোগ দেওয়ারও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় তাকে। তবে শেষপর্যন্ত উত্তর প্রদেশ ক্রিকেটার বুঝতে পারেন তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন।

আনশুল রাজের অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে- দরিদ্র সাধারণ পরিবারের হলেও দেশের হয়ে খেলার স্বপ্ন আমার বহুদিনের। অভিযুক্তরা আমাকে কার্যত ফকির করে দিয়েছে। ওদের বিরুদ্ধে যেন মামলা দায়ের করা হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, দিল্লির হয়ে বহুদিন টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট খেলা জাভেদ খানকে সেই সংস্থার মুখ্য হিসেবে ব্যবহার করা হতো। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের স্কোয়াডেও এক সময় ছিলেন জাভেদ খান।

টাকা দিলেই দলে সুযোগ!

LifePharm