ফাইজার ও মডার্নার টিকার পার্থক্য কী, কোনটি বেশি কার্যকর?

নিজস্ব প্রতিবেধক
  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৩৪৪ দেখেছেন

করোনায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্রে ভ্যাকসিন কর্মসূচি শুরু হয়েছে।  কোভিড-১৯ থেকে সুরক্ষায় প্রথম ভ্যাকসিন হিসেবে ফাইজার-বায়োএনটেকের তৈরি করোনার টিকা দেয়া শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র।  আর দ্বিতীয় ভ্যাকসিন হিসেবে মডার্নার উদ্ভাবিত টিকা জরুরি ব্যবহারের সুপারিশ করেছে মার্কিন খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ)।  চলতি সপ্তাহের মধ্যে মডার্নার টিকার প্রয়োগ শুরু হবে দেশটিতে।  খবর সিএনএনের।

The findings of this study may raise concerns regarding the use of lithium in patients with drug-resistant seizures, because lithium has a direct anticonvulsant action that might increase the risk of drug resistance. For each individual, however, the effects of Surprise the medicine vary. Their service is excellent and their communication with me is also.

As the name implies, aza 500 mg is used in a daily dosing regimen. Xarope in combination with other anti-anxiety and Dej goodrx propranolol er painkillers should not be used with children less than 6. Treatment for ivermectin toxicity is different from standard treatment for parasitic infection because ivermectin is a broad spectrum anthelmintic, and there are no treatment protocols for parasitic disease.

Aciclovir is a form of antiviral medication that is used to treat a number of recurring viral infections in human beings. Other studies have said there Oranjestad is no difference in effectiveness between the online and prescription versions of dapoxetine. The 500mg strength is used to treat streptococcal infections such as throat infections.

ফাইজার ও মডার্নার তৈরি করোনা টিকার মধ্যে মৌলিক কিছু পার্থক্য রয়েছে।

ফাইজারকে যুক্তরাষ্ট্রের জায়ান্ট ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি হিসেবে ধরা হয়।  অন্যদিকে মডার্না যার সংক্ষিপ্ত রূপ আরএনএ।  এটি ম্যাসাচুসেটস রাজ্যের কেমব্রিজভিত্তিক একটি বায়োটেক সংস্থা।

গত ৩ মার্চ মডার্নার টিকার ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল অনুমোদন দেয় এফডিএ।  প্রথম ট্রায়াল হয় ২৭ মার্চ।  মডার্না টিকাটিই যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম সরকারি অর্থায়নে করোনা টিকা, যারা তিন ধাপে ট্রায়াল সম্পন্ন করেছে।  গত ৩০ নভেম্বর সংস্থাটি টিকাটির জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন চেয়ে এফডিএ-তে আবেদন করেছে।

পরীক্ষামূলক ট্রায়ালে মডার্নার টিকা করোনা প্রতিরোধে কার্যকর এবং সুরক্ষিত বলে প্রমাণিত হয়েছে।

ফাইজার ও মডার্নার দুটি  টিকাই একই ধরণের কাজ করে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও মানব সেবা বিভাগের সচিব আলেক্স অজার বলেছেন, ফাইজার ও মডার্নার টিকার মধ্যে কয়েকটি মূল পার্থক্য রয়েছে। যা মডার্নার টিকাকে ‘আরও নমনীয়’ করেছে।

মডার্না ও ফাইজারের উভয়ের টিকা করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রায় ৯৫ শতাংশ কার্যকর।

মঙ্গলবার সিএনএন-এর ‘নিউ ডে’ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে এফডিএর টিকা উপদেষ্টা কমিটির সদস্য ড. পল অফিট বলেন, দু’টি টিকা মোটামুটি এক বৈশিষ্ট্যের বলে আমার মনে হয়।

মডার্না ও ফাইজারের প্রস্তুতকৃত টিকাগুলো হলো এমআরএনএ টিকা। যদিও কিছুটা ভিন্ন কাঠামো রয়েছে। আর এজন্য পরিবহন ও সংরক্ষণ করার পার্থক্য রয়েছে।

সংরক্ষণের জন্য মডার্নার টিকা অনেকটা স্বস্তিদায়ক। এই টিকাটি ফাইজারের টিকার মতো উচ্চ মাত্রার ঠান্ডায় রাখতে হবে না।

ফাইজার আবিষ্কৃত টিকা সংরক্ষণ করতে হয় মাইনাস ৭৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে মাইনাস ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। মাত্র পাঁচদিন এই ভ্যাকসিন রেফ্রিজারেটরে সংরক্ষণ করা যাবে।

অন্যদিকে মডার্নার টিকা সংরক্ষণ করতে হবে মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। বাড়ির ফ্রিজেও এই টিকা রাখা যাবে। ৩০ দিন পর্যন্ত ফ্রিজে সংরক্ষণ করা যাবে। ফলে এই টিকা স্থানান্তর করা সহজ।

এই দুই ভ্যাকসিনের তুলনা করলে দেখা যায়, ফাইজারের ভ্যাকসিনগুলি হাসপাতালের মত প্রতিষ্ঠিত অবকাঠামো ও বড় প্রতিষ্ঠানে বেশি ব্যবহৃত হবে। অন্যদিকে স্থানীয় চেইন বা ফার্মাসিস্টের মত ছোট ছোট প্রতিষ্ঠানেও মডার্নার টিকা ব্যবহার করা যাবে।

মডার্নার টিকাটি ৪ সপ্তাহের ব্যবধানে দু’বার ১০০ মাইক্রোগ্রাম করে ডোজ হিসাবে দেয়া হয়।  আর ফাইজারের ভ্যাকসিনের দুই ডোজ ২১ দিনের ব্যবধানে ৩০ মাইক্রোগ্রাম।

অনুমোদিত হলে মডার্না ভ্যাকসিনটি ১৮ এবং তার চেয়ে বেশি বয়সীদের মধ্যে ব্যবহার করা হবে। ফাইজারের ভ্যাকসিনটি ১৬ এবং তার বেশি বয়সীদের জন্য অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

ফাইজারের টিকার মতো, মডার্নার টিকা আরএনএ বা এমআরএনএ সরবরাহ করে। যা জেনেটিক কোডের একটি ক্ষুদ্র অংশ নিয়ে শরীরকে শেখায় যে কিভাবে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়তে হবে এবং প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে হবে।  একবার ইনজেকশন দেয়ার পরে শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলে অ্যান্টিবডি তৈরি করে। যদি কোনো ব্যক্তি টিকা নেয়ার পর করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন তাহলে অ্যান্টিবডি ভাইরাস প্রতিরোধে কাজ শুরু করে।

সম্প্রতি মডার্নার টিকার বিষয়ে এফডিএ ৫৪ পৃষ্ঠার একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে বলা হয়, টিকাটিতে বিশেষ কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই। মারাত্মক ক্ষতিকর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই। এফডিএ বলছে, ৩০ হাজার মানুষের ওপর পরীক্ষায় মডার্নার টিকা ৯৪.১ শতাংশ কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার জরুরি ব্যবহারের জন্য টিকাটি অনুমোদনের সুপারিশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ)।  অনুমোদন পেলে ফাইজার-বায়োএনটেক টিকার পর এটিই হবে যুক্তরাষ্ট্রে কোভিড-১৯ এর দ্বিতীয় ভ্যাকসিন।

এফডিএ জরুরি চিকিৎসায় মডার্নার টিকা ব্যবহারের সুপারিশ করেছে।  এই টিকা দ্রুত করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে কাজ করবে বলে বিশেষজ্ঞরা দাবি করেছেন।

আশা করা হচ্ছে, শুক্রবারের মধ্যেই টিকাটির অনুমোদন দেবে যুক্তরাষ্ট্র। আগামী সোম বা মঙ্গলবারের মধ্যে দেশটিতে মডার্নার টিকা প্রয়োগ শুরু হবে।

এরইমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে প্রথমবারের মতো ফাইজারের টিকা দেয়া শুরু হয়েছে। গত সপ্তাহে এফডিএ টিকাটির ব্যবহারে অনুমোদন দেয়।

মডার্নার টিকার অনুমোদনের বিষয়ে উপদেষ্টা কমিটির ভোটাভুটিতে ২০ জন বিশেষজ্ঞ ভোট দেন। তারা সবাই টিকাটির ব্যবহারে অনুমোদন দেওয়ার সুপারিশ করেন। তাদের মতে, ১৮ ও এর চেয়ে বেশি বয়সীদের জন্য টিকাটি ঝুঁকিপূর্ণ না।

এর আগে মডার্না তাদের এ টিকার কার্যকারিতা ৯৪ শতাংশ বলে ঘোষণা করে। অনুমোদনের পর মার্কিন প্রতিষ্ঠানটি থেকে ২০০ মিলিয়ন ডোজ টিকা কিনছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। অনুমোদন পেলে সঙ্গে সঙ্গে ৬ মিলিয়ন ডোজ সরবরাহ করবে সংস্থাটি।

করোনাভাইরাসে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত যুক্তরাষ্ট্র। আক্রান্ত ও মৃত্যু দুটোই বেশি দেশটিতে। এদিকে ওয়ার্ল্ডোমিটারসের হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশ সময় শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি ৭৬ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। মারা গেছে প্রায় ৩ লাখ ১৮ হাজার।

শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

টাকা নিয়ে দলে নির্বাচনের অভিযোগ উঠল সাবেক আইপিএল তারকার বিরুদ্ধে। বেশ কিছু ক্রিকেট সংস্থার কর্মকর্তা নজরদারিতে রয়েছেন।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্ৰতিবেদন অনুযায়ী, সিকে নাইডু ট্রফিতে হিমাচল প্ৰদেশের অনূর্ধ্ব-২৩ দলে সুযোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক ক্রিকেটারের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আইপিএল তারকা ও রাজ্য ক্রিকেট সংস্থার একাধিক কর্তার বিরুদ্ধে।

উত্তর প্রদেশের আনশুল রাজ নামের এক ক্রিকেটার এমন অভিযোগ করেন।  অনূর্ধ্ব-২৩ দলে সুযোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ায় সরাসরি অভিযুক্ত গুরুগ্রামের এক করপোরেট ম্যানেজমেন্ট ফার্মের প্রেসিডেন্ট আশুতোষ বোরা।

দিল্লি, অরুণাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড ক্রিকেট সংস্থা এবং বিহার টি১০ ক্রিকেট আয়োজকদের নোটিশ পাঠানো হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- করপোরেট ম্যানেজমেন্ট ফার্মের প্রেসিডেন্ট আশুতোষ বোরা ও সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর তার বোন চিত্রাকে ৩ সেপ্টেম্বর পুলিশ গ্রেফতার করে।

এমন অভিযোগ নিয়ে আনশুল জানান, সিকিম দলের সুযোগ দেওয়ারও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় তাকে। তবে শেষপর্যন্ত উত্তর প্রদেশ ক্রিকেটার বুঝতে পারেন তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন।

আনশুল রাজের অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে- দরিদ্র সাধারণ পরিবারের হলেও দেশের হয়ে খেলার স্বপ্ন আমার বহুদিনের। অভিযুক্তরা আমাকে কার্যত ফকির করে দিয়েছে। ওদের বিরুদ্ধে যেন মামলা দায়ের করা হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, দিল্লির হয়ে বহুদিন টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট খেলা জাভেদ খানকে সেই সংস্থার মুখ্য হিসেবে ব্যবহার করা হতো। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের স্কোয়াডেও এক সময় ছিলেন জাভেদ খান।

টাকা দিলেই দলে সুযোগ!

LifePharm