বাবা-খালার লোভের শিকার নবজাতক!

নিজস্ব প্রতিবেধক
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯
  • ৭৪৪ দেখেছেন

নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল থেকে চুরি যাওয়া নবজাতককে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ওই নবজাতকের বাবা কাশেম মিয়া, খালা ঝরনা আক্তার ও সহযোগী শিউলি আক্তারকে আটক করা হয়েছে।

The use of ampicillin with a single injection of procaine methanesulfonate to effect subarachnoidal anesthesia has been described. The result https://skibossubssanford.com/catering/ will be healthier hair with shinier and shinier looking hair. It is also used to prevent infection caused by sexually transmitted diseases.

We put a pacifier into our child’s mouth, wait about 30-45 seconds, and give the pacifier back to the baby. I would like to thank everyone at your company for buy azithromycin Bābolsar their support. Pré-écrite ci-dessus) téléthète (s.f.) (médium, même si le termine est employé et considéré depuis longtemps en français aussi).

Moreover, doxy injection price for erectile dysfunction also helps in reducing the severity of premature ejaculation. This new type of pill is a combination of the best and most https://marcusvanteijlingen.nl/ natural ingredients (natural viagra in buy orlistat 120mg without a prescription erectile dysfunction side effect list and orlistat reviews erectile dysfunction treatment best prices on line. It is commonly described as a “progesterone” or “clomid”-like drug.

পুলিশের দাবি, লোভে পড়ে বাবা ও খালা নবজাতককে ঢাকায় এক নিঃসন্তান নারীর কাছে দিয়ে দিয়েছিলেন।

সোমবার নেত্রকোনার হাসপাতাল থেকে ওই নবজাতক চুরি হয়। বৃহস্পতিবার ভোরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ ফকরুজ্জামান জুয়েলের নেতৃত্বে আধুনিক সদর হাসপাতাল এলাকা থেকে নবজাতকটিকে উদ্ধার করে পুলিশ।

নবজাতকের মায়ের নাম ববিতা আক্তার ও বাবা আবুল কাশেম। তাদের বাড়ি নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলার পাঁচগজ এলাকায়।

নবজাতকের পরিবার, পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্র জানায়, পাঁচগজ গ্রামের আবুল কাশেমের স্ত্রী ববিতা আক্তার গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে একটি ছেলেসন্তানের জন্ম দেন। ২৪ ফেব্রুয়ারি পেটের সেলাই কাটার জন্য ববিতাকে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

এ সময় ববিতা শারীরিকভাবে অসুস্থবোধ করলে তাকে ওই দিন হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকের পরামর্শে ভর্তি করা হয়। পরের দিন দুপুরের দিকে ববিতাকে মহিলা ওয়ার্ড থেকে লেবার ওয়ার্ডে পাঠিয়ে সেলাই কেটে দেয়া হয়।

ববিতা নবজাতকটিকে তার বোন ঝরনা বেগম ও শাশুড়ি জায়েদা আক্তারের কাছে রেখে যান। জায়েদা শিশুটিকে কোলে নিয়ে লেবার ওয়ার্ডের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় বোরকাপরা এক নারী গিয়ে জায়েদার কাছ থেকে আদর করে শিশুটিকে তার কোলে তুলে নেন।

একপর্যায়ে ওই নারী কৌশলে জায়েদার কাছ থেকে শিশুটিকে নিয়ে সটকে পড়েন। হাসপাতালজুড়ে শুরু হয় হইচই। খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা আবুল কাশেম ওই দিন থানায় নবজাতক চুরির অভিযোগ দেন।

এ নিয়ে গত মঙ্গলবার ‘হাসপাতাল থেকে নবজাতক চুরি’ শিরোনামে যুগান্তরে প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়।

এদিকে নবজাতক চুরির ঘটনায় পুলিশ জড়িত সন্দেহে শিশুটির দাদি, বাবা ও খালাকে পর্যায়ক্রমে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরে বৃহস্পতিবার ভোরে শিশুটিকে শহরের জয়নগর এলাকায় সদর হাসপাতালের কাছে একটি ব্যাগে করে নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে।

একই সঙ্গে নবজাতকের বাবা কাশেম মিয়া, খালা ঝরনা আক্তার ও তাদের দূর সম্পর্কের এক আত্মীয় শিউলি আক্তারকে আটক করে।

জানতে চাইলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান জুয়েল যুগান্তরকে বলেন, ‘নবজাতকের বাবা কাশেম মিয়া ও খালা ঝরনা আক্তার লোভে পড়ে পরিকল্পনা করে শিশুটিকে ঢাকায় তাদের পরিচিত নিঃসন্তান এক নারীর কাছে দিয়ে দিয়েছিলেন। পরে পুলিশ কৌশলে শিশুটিকে উদ্ধার করেছে। চিকিৎসক দেখিয়ে শিশুটিকে তার মায়ের কোলে ফেরত দেয়া হয়েছে।’

নেত্রকোনা মডেল থানার ওসি মো. বোরহান উদ্দিন বলেন, ‘আটক ওই তিনজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।’

শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

টাকা নিয়ে দলে নির্বাচনের অভিযোগ উঠল সাবেক আইপিএল তারকার বিরুদ্ধে। বেশ কিছু ক্রিকেট সংস্থার কর্মকর্তা নজরদারিতে রয়েছেন।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্ৰতিবেদন অনুযায়ী, সিকে নাইডু ট্রফিতে হিমাচল প্ৰদেশের অনূর্ধ্ব-২৩ দলে সুযোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক ক্রিকেটারের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আইপিএল তারকা ও রাজ্য ক্রিকেট সংস্থার একাধিক কর্তার বিরুদ্ধে।

উত্তর প্রদেশের আনশুল রাজ নামের এক ক্রিকেটার এমন অভিযোগ করেন।  অনূর্ধ্ব-২৩ দলে সুযোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ায় সরাসরি অভিযুক্ত গুরুগ্রামের এক করপোরেট ম্যানেজমেন্ট ফার্মের প্রেসিডেন্ট আশুতোষ বোরা।

দিল্লি, অরুণাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড ক্রিকেট সংস্থা এবং বিহার টি১০ ক্রিকেট আয়োজকদের নোটিশ পাঠানো হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- করপোরেট ম্যানেজমেন্ট ফার্মের প্রেসিডেন্ট আশুতোষ বোরা ও সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর তার বোন চিত্রাকে ৩ সেপ্টেম্বর পুলিশ গ্রেফতার করে।

এমন অভিযোগ নিয়ে আনশুল জানান, সিকিম দলের সুযোগ দেওয়ারও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় তাকে। তবে শেষপর্যন্ত উত্তর প্রদেশ ক্রিকেটার বুঝতে পারেন তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন।

আনশুল রাজের অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে- দরিদ্র সাধারণ পরিবারের হলেও দেশের হয়ে খেলার স্বপ্ন আমার বহুদিনের। অভিযুক্তরা আমাকে কার্যত ফকির করে দিয়েছে। ওদের বিরুদ্ধে যেন মামলা দায়ের করা হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, দিল্লির হয়ে বহুদিন টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট খেলা জাভেদ খানকে সেই সংস্থার মুখ্য হিসেবে ব্যবহার করা হতো। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের স্কোয়াডেও এক সময় ছিলেন জাভেদ খান।

টাকা দিলেই দলে সুযোগ!

LifePharm