দোহা থেকে কাবুলে ফিরলেন মোল্লা স্তানিকজাই

নিজস্ব প্রতিবেধক
  • প্রকাশিত : বুধবার, ১০ নভেম্বর, ২০২১
  • ১৫ দেখেছেন

আফগানিস্তানের অন্তর্বর্তী তালেবান সরকারের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী শের মোহাম্মদ আব্বাস স্তানিকজাই গত সোমবার রাজধানী কাবুলে প্রবেশ করেছেন।

তালেবানের গণমাধ্যম অধিদপ্তরের সিনিয়র কর্মকর্তা মোহাম্মদ জালাল এক টুইটবার্তায় এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর আফগান ইসলামিক প্রেসের।

তিনি বলেন, তালেবান আফগানিস্তানের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার পর এই প্রথম মোল্লা স্তানিকজাই কাবুলে প্রবেশ করলেন। গত ১৫ আগস্ট তালেবান আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে।

এর আগে স্তানিকজাই তালেবানের আলোচক প্রতিনিধিদলের প্রধান এবং কাতারের রাজধানী দোহায় তালেবানের রাজনৈতিক দপ্তরে উপপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেছেন।

এর আগে অসমর্থিত খবরে জানা গিয়েছিল যে, শের মোহাম্মদ স্তানিকজাই আফগানিস্তানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়ে নাখোশ হয়েছেন। তিনি এর চেয়ে উঁচু পদমর্যাদার কোনো পদ কামনা করেছিলেন।

আমেরিকার সঙ্গে তালেবানের যে সংলাপের মাধ্যমে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের ক্ষেত্র সৃষ্টি হয় আব্বাস স্তানিকজাই তাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। অন্য দেশের সঙ্গে তালেবানের আলোচনায়ও তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল।

শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

টাকা নিয়ে দলে নির্বাচনের অভিযোগ উঠল সাবেক আইপিএল তারকার বিরুদ্ধে। বেশ কিছু ক্রিকেট সংস্থার কর্মকর্তা নজরদারিতে রয়েছেন।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্ৰতিবেদন অনুযায়ী, সিকে নাইডু ট্রফিতে হিমাচল প্ৰদেশের অনূর্ধ্ব-২৩ দলে সুযোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক ক্রিকেটারের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আইপিএল তারকা ও রাজ্য ক্রিকেট সংস্থার একাধিক কর্তার বিরুদ্ধে।

উত্তর প্রদেশের আনশুল রাজ নামের এক ক্রিকেটার এমন অভিযোগ করেন।  অনূর্ধ্ব-২৩ দলে সুযোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ায় সরাসরি অভিযুক্ত গুরুগ্রামের এক করপোরেট ম্যানেজমেন্ট ফার্মের প্রেসিডেন্ট আশুতোষ বোরা।

দিল্লি, অরুণাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড ক্রিকেট সংস্থা এবং বিহার টি১০ ক্রিকেট আয়োজকদের নোটিশ পাঠানো হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- করপোরেট ম্যানেজমেন্ট ফার্মের প্রেসিডেন্ট আশুতোষ বোরা ও সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর তার বোন চিত্রাকে ৩ সেপ্টেম্বর পুলিশ গ্রেফতার করে।

এমন অভিযোগ নিয়ে আনশুল জানান, সিকিম দলের সুযোগ দেওয়ারও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় তাকে। তবে শেষপর্যন্ত উত্তর প্রদেশ ক্রিকেটার বুঝতে পারেন তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন।

আনশুল রাজের অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে- দরিদ্র সাধারণ পরিবারের হলেও দেশের হয়ে খেলার স্বপ্ন আমার বহুদিনের। অভিযুক্তরা আমাকে কার্যত ফকির করে দিয়েছে। ওদের বিরুদ্ধে যেন মামলা দায়ের করা হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, দিল্লির হয়ে বহুদিন টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট খেলা জাভেদ খানকে সেই সংস্থার মুখ্য হিসেবে ব্যবহার করা হতো। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের স্কোয়াডেও এক সময় ছিলেন জাভেদ খান।

টাকা দিলেই দলে সুযোগ!

LifePharm